কিউআর লেনদেনে বছরে ২ লাখ কোটি টাকা বাড়তি কর আদায় সম্ভব: গভর্নর
কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেন বাড়ানো সম্ভব হলে বছরে প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা অতিরিক্ত কর আদায় করা যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে কর আদায়ের হার তুলনামূলকভাবে কম।
গভর্নর বলেন, বর্তমানে দেশের ট্যাক্স-টু-জিডিপি অনুপাত ৭ শতাংশের নিচে, যা একসময় ১০ শতাংশ ছিল। কিউআর কোডের ব্যবহার সফলভাবে সম্প্রসারণ করা গেলে বছরে প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা অতিরিক্ত কর আদায় সম্ভব হতে পারে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) আয়োজিত ‘মিট দ্য গভর্নর’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে এবং ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়।
ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণ এবং ‘বাংলা কিউআর’ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বাকৃবিতে প্রথমবারের মতো এ ধরনের আয়োজন করা হয়।
কিউআর কোডের ব্যবহার বাড়লে নোট ছাপানো ও ব্যবস্থাপনার খরচও কমবে বলে জানান গভর্নর। তিনি বলেন, বর্তমানে নোট ছাপানো ও ব্যবস্থাপনায় বছরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়। দেশব্যাপী কিউআর কোড সিস্টেম বাস্তবায়ন করা গেলে এ ব্যয় অন্তত ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হতে পারে।
গভর্নর আরও বলেন, আগামী ১ অক্টোবর থেকে কিউআর লেনদেনে মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট (এমডিআর) শূন্য করা হবে। ফলে কোনো গ্রাহক ১০০ টাকা পরিশোধ করলে মার্চেন্টও পুরো ১০০ টাকা পাবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাকৃবির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ও ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান এবং ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. এহতেশামুল হক খান।
এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
-স্বাধীন/এমএ
কিউআর লেনদেনে বছরে ২ লাখ কোটি টাকা বাড়তি কর আদায় সম্ভব: গভর্নর

