সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মাধ্যমে মানুষের জন্য বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে ফেনীর পরশুরামে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে মুহুরী-কহুয়া সেচ প্রকল্প উদ্বোধন শেষে এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে উপজেলা পর্যায়েই মানুষের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হবে। জটিল রোগের চিকিৎসার জন্য যেন মানুষকে জেলা সদর বা রাজধানীতে ছুটতে না হয়, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শয্যা সংখ্যা ৫০ থেকে ১৫০-তে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবায় এ কাজ সম্পন্ন করা হবে।
তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পরিবারের নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নারীরা স্বাবলম্বী হলে পুরো পরিবারই এর সুফল পাবে। একইভাবে ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও মাঝারি কৃষকদের কাছে সরকারি সহায়তা সরাসরি পৌঁছে দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী থাকবে না।
ফেনীর ফুলগাজী ও পরশুরামের বন্যা পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, মুহুরী-কহুয়া নদী ও খালকে সংযুক্ত করে খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে মানুষের সুবিধার জন্য। কয়েক বছর আগে ভয়াবহ বন্যায় এ এলাকার ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল। এমনকি সেতুর ওপর দিয়েও পানি প্রবাহিত হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে হবে।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, বন্যা ও জলাবদ্ধতা মোকাবিলা, কৃষিজমির পানি নিষ্কাশন এবং মানুষের পানির সুবিধা নিশ্চিত করতে নদী-খাল খনন প্রয়োজন। নির্বাচনের আগে বিএনপি নদী-খাল খননের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবেই এ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, কৃষকদের জন্য নেওয়া কর্মসূচি, নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড এবং মানুষের সুবিধার জন্য নদী-খাল খনন—সব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য সাধারণ মানুষকে উপকৃত করা। বিএনপি মানুষের জন্য রাজনীতি করে এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চায়।
-স্বাধীন দিগন্ত/এমএ
সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

