ফেরান তোরেসের গোলে লিগ ওয়ানে মৌসুমের প্রথম জয় পিএসজির
মৌসুমের চতুর্থ ম্যাচে স্তাদে ফ্রান্সিস-লে ব্লেতে ব্রেস্তকে ১-০ গোলে হারিয়েছে লুইস এনরিকের দল।লিগ ওয়ানে অবশেষে জয়ের দেখা পেয়েছে প্যারিস সেন্ট জার্মেই )।
চ্যাম্পিয়নস লিগে স্লোভান ব্রাতিস্লাভার বিপক্ষে ৬-১ গোলের বড় জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়েই লিগের ম্যাচে নামে পিএসজি। এ ম্যাচে আক্রমণভাগেও পরিবর্তন আনেন এনরিকে। ফেরান তোরেসের সঙ্গে উসমান দেম্বেলে ও কভিচা কভারাতস্খেলিয়াকে আক্রমণভাগে রাখেন তিনি।
ম্যাচের শুরুতেই গোল পেয়ে যায় পিএসজি। পঞ্চম মিনিটে জোয়াও নেভেসের কাছ থেকে বল পেয়ে দেম্বেলে ফ্লিক করে দেন তোরেসকে। প্রায় ২০ মিটার দূর থেকে নিখুঁত শটে ব্রেস্তের জালে বল পাঠান স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড।
লিড নেওয়ার পর দ্বিতীয় গোলের জন্য চাপ বাড়াতে থাকে পিএসজি। তবে ব্রেস্তের গোলরক্ষক সিলভিচ একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে প্যারিসের আক্রমণভাগকে হতাশ করেন। ২৩তম মিনিটে কভারাতস্খেলিয়ার বাঁকানো শটও দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন তিনি।
বিরতির আগে সমতা ফেরানোর চেষ্টা চালায় ব্রেস্ত। এমবোপের শট পিএসজির এক খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে বাইরে চলে যায়। এর পরপরই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় পিএসজির গুরুত্বপূর্ণ ডিফেন্ডার আশরাফ হাকিমিকে। ৩৯তম মিনিটে ইনজুরিতে পড়েন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ব্রেস্ত। ৫০তম মিনিটে দোম্বিয়ার শট পিএসজির পোস্টে লেগে ফিরে আসে। দুই মিনিট পর ব্রেস্ত গোল করলেও ফাউলের কারণে সেটি বাতিল হয়।
৫৭তম মিনিটে আবারও পিএসজিকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক সাফোনোভ। দোম্বিয়ার হেড দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন তিনি। অন্যদিকে ৬৯তম মিনিটে জোয়াও নেভেসের হেড ফিরিয়ে দিয়ে পিএসজিকে দ্বিতীয় গোল থেকে বঞ্চিত করেন ব্রেস্ত গোলরক্ষক সিলভিচ।
ম্যাচের শেষ দিকেও দুই দলের গোলরক্ষকদের মধ্যে চলে জমজমাট লড়াই। ৮৮তম মিনিটে এমবোপের সমতাসূচক গোলের চেষ্টা ঠেকিয়ে দেন সাফোনোভ। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে পিএসজি।
চার ম্যাচে এটি পিএসজির প্রথম জয়। এর আগে দুই ড্র ও এক হারে পাওয়া ৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের সপ্তম স্থানে রয়েছে তারা।
-স্বাধীন/এস
ফেরান তোরেসের গোলে লিগ ওয়ানে মৌসুমের প্রথম জয় পিএসজির

