২০২৭ সালের হজে আরও ২০ হাজার কোটা চায় হাব
২০২৭ সালের পবিত্র হজে নির্ধারিত কোটার বাইরে আরও ২০ হাজার হজযাত্রীর জন্য কোটা বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে এ দাবিতে আবেদন করেছে সংগঠনটি। আবেদনে অতিরিক্ত সচিব (হজ)-এর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
আবেদনে হাব জানিয়েছে, বাংলাদেশের জন্য সৌদি সরকার নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৫০০ জনের হজ কোটা ইতোমধ্যে পূর্ণ হয়ে গেছে। এর বাইরে আরও ২০ হাজারের বেশি মানুষ হজে যাওয়ার সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছেন। তারা ২০২৭ সালে হজ পালনের জন্য মানসিক ও আর্থিকভাবে প্রস্তুত বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ অবস্থায় অপেক্ষমাণ হজযাত্রীদের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সৌদি সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বাংলাদেশের হজ কোটা আরও ২০ হাজার বাড়ানোর জন্য দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে হাব।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে দেওয়া আবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের জন্য হজযাত্রীর কোটা ছিল ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। তবে গত কয়েক বছরে রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক সংকটসহ বিভিন্ন কারণে হজযাত্রীর সংখ্যা কমে যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৭ সালের জন্য বাংলাদেশের হজ কোটা কমিয়ে ৭৮ হাজার ৫০০ জন নির্ধারণ করেছে সৌদি সরকার।
হাব আরও বলেছে, এবার হজ পালনে আগ্রহীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। নিবন্ধনের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা পূর্ণ হয়ে যায়। এরপরও ২০ হাজারের বেশি হজযাত্রী হজে যাওয়ার সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছেন। তাদের অনেকেই হজ পালনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।
সংগঠনটির মতে, নির্ধারিত কোটা পূরণের পরও বিপুলসংখ্যক হজযাত্রী হজ পালনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন। তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে নির্ধারিত কোটার বাইরে আরও ২০ হাজার হজযাত্রীর জন্য কোটা বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
আবেদনে আরও বলা হয়, সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনার স্বার্থে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হলে অপেক্ষমাণ হজযাত্রীরা ২০২৭ সালে পবিত্র হজ পালনের সুযোগ পাবেন।
উল্লেখ্য, ২০২৭ সালের পবিত্র হজের জন্য বাংলাদেশকে ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা দিয়েছে সৌদি সরকার। এই কোটার আওতায় সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রীরা সৌদি আরবে যাবেন।
-স্বাধীন/এমএ
২০২৭ সালের হজে আরও ২০ হাজার কোটা চায় হাব

