মাস কয়েক পর ইরাকে আবার নগদ ডলার পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র
মাস কয়েক বন্ধ থাকার পর ইরাকে আবারও নগদ ডলার পাঠাতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরাক সরকার। তবে নতুন করে কিছু শর্তও যুক্ত করা হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা ইরাকি নিউজ এজেন্সিকে এ তথ্য জানান সরকারের মুখপাত্র হায়দার আল-আবুদি।
গত এপ্রিলে ইরাকে নগদ ডলার পাঠানো স্থগিত করে যুক্তরাষ্ট্র। ওই সময় প্রায় ৫০ কোটি ডলারের একটি চালানও আটকে দেওয়া হয়। ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রভাব কমাতে বাগদাদের ওপর চাপ বাড়ানোর অংশ হিসেবে ওয়াশিংটন ওই পদক্ষেপ নিয়েছিল বলে জানা যায়।
কয়েকটি বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতির পর নতুন করে ডলার পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে জানিয়ে আল-আবুদি বলেন, ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী ফালেহ আল-জায়েদির যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় এ বিষয়ে সমঝোতা হয়। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ডলারের নতুন একটি চালান ইরাকে পৌঁছাবে।
তবে নতুন চালানের পরিমাণ কিংবা নির্দিষ্ট সরবরাহের তারিখ জানাননি তিনি। তাঁর মতে, নতুন এই ডলার সরবরাহ দেশের অভ্যন্তরীণ বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা মেটাতে সহায়তা করবে।
ডলার ব্যবস্থাপনায় নতুন শর্ত
ইরাকি সরকারের এই মুখপাত্র জানান, ডলার বিতরণে নজরদারি জোরদার, বৈদেশিক মুদ্রার অপব্যবহার কমানো এবং ইলেকট্রনিক পেমেন্টের ব্যবহার বাড়ানোর মতো পদক্ষেপ নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন এই সমঝোতা হয়েছে।
ইরাক ধীরে ধীরে আরও ডিজিটাল অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ইরাকের অর্থনীতিতে নগদ লেনদেনের ওপর নির্ভরতা বেশি হওয়ায় দেশটির জন্য ডলার সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের একটি হিসাবে রাখা হয়।
ফলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে নগদ ডলার সরবরাহ বন্ধ থাকা ইরাকের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা ও অভ্যন্তরীণ বাজারে ডলারের প্রাপ্যতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
-স্বাধীন/এস
মাস কয়েক পর ইরাকে আবার নগদ ডলার পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র

