রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে প্রকাশ্য ভোটে, ফিরছে ৩৫ বছরের ইতিহাস
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর দেশে আবারও ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্যদের প্রকাশ্য ভোটের মাধ্যমে এবার দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। তবে বর্তমান সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় ক্ষমতাসীন দল বিএনপির প্রার্থীর জয় অনেকটাই নিশ্চিত।
এবারের নির্বাচনে ১১ দলীয় জোট কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে প্রার্থী দিয়েছে। এরই মধ্যে তার পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। বিএনপিও তাদের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচন কমিশন থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে। তবে ক্ষমতাসীন দলটি এখনো তাদের দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি।
৩৫ বছর পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে আবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা। তবে সাধারণ নির্বাচনের মতো দেশের সাধারণ ভোটাররা এ নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন না। সংসদ সদস্যদের পরোক্ষ ভোটে নির্বাচিত হবেন রাষ্ট্রপতি।
৩৫০ আসনের সংসদে স্বতন্ত্র সদস্য বাদে ১০টি দলের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। বিএনপির ২৪৭টি, জামায়াতে ইসলামীর ৭৭টি এবং এনসিপির ৮টি আসন রয়েছে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রয়েছে ৩টি আসন। এ ছাড়া কয়েকটি দলের একজন করে সংসদ সদস্য রয়েছেন। স্বতন্ত্র সদস্য রয়েছেন ৮ জন।
ফলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কে কত ভোট পাবেন এবং কে জয়ী হবেন, তা নির্ধারণে সংসদের দলীয় আসনসংখ্যাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠবে।
উল্লেখ্য, গত ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ১৩ আগস্ট। ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৮ আগস্ট বিকেল ৪টা। ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
-স্বাধীন দিগন্ত/ এমএ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে প্রকাশ্য ভোটে, ফিরছে ৩৫ বছরের ইতিহাস

