কলসকাঠীর তরুনদের অনুপ্রেরনা ও রাজপথ থেকে মানুষের পাশে মিজানুর রহমানের পথচলা
কলসকাঠী ইউনিয়নের পরিচিত মুখ হাফেজ মো. মিজানুর রহমান হাওলাদার। হাস্যোজ্জ্বল স্বভাব, সাংগঠনিক দক্ষতা ও পরোপকারী মানসিকতার জন্য তিনি স্থানীয়দের কাছে পরিচিত। ১৯৯৭ সালে ছাত্রদলের মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে তাঁর পথচলা শুরু হয়। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছেন; একাধিকবার কারাবাসও করেছেন।
১৯৯৩ সালে বরিশাল মাহমুদিয়া মাদ্রাসার হেফজ বিভাগ থেকে শিক্ষা সম্পন্ন করেন মিজানুর রহমান। এরপর ১৯৯৭ সালে কলসকাঠী বি এম একাডেমি থেকে এসএসসি, ১৯৯৯ সালে কলসকাঠী ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ২০০২ সালে একই কলেজ থেকে বিএসসি পাস করেন তিনি।
তাঁর পরিবারেও রয়েছে দীর্ঘ রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা। তাঁর বাবা সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার পদ থেকে ১৯৯০ সালে অবসর নেন। পরে কলসকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে একাধিকবার নির্বাচিত হন। মিজানুর রহমানের চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হক হাওলাদারও একাধিকবার কলসকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তাঁর বড় সন্তান রাফিজুর রহমান বর্তমানে কলসকাঠী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।
মিজানুর রহমান বর্তমানে বরিশাল জেলা যুবদলের সদস্য এবং বাকেরগঞ্জ উপজেলা যুবদলের ১ নম্বর সদস্য। বিগত শাসনামলে তিনি বিভিন্ন মিছিল-সমাবেশ ও দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। প্রতিকূল সময়েও নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত রাখতে কাজ করেছেন।
দলীয় পরিসরে তিনি বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খানের বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও সাংগঠনিক কাজে সক্রিয় ভূমিকার কারণে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গেও তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে।
রাজনীতির পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নমূলক উদ্যোগেও যুক্ত আছেন হাফেজ মো. মিজানুর রহমান হাওলাদার। ৫ আগস্টের পর থেকে কলসকাঠীর রাস্তাঘাট, সেতু ও কালভার্টের উন্নয়ন এবং নদীভাঙন রোধের উদ্যোগে তিনি প্রচারবিমুখভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সংগঠনের সঙ্গে দীর্ঘ সম্পৃক্ততা ও মানুষের পাশে থাকার মানসিকতা তাঁকে স্থানীয় তরুণদের কাছেও আস্হা অর্জন করে নিয়েছে।
কলসকাঠীর তরুনদের অনুপ্রেরনা ও রাজপথ থেকে মানুষের পাশে মিজানুর রহমানের পথচলা

