নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে প্রাণহানি বেড়ে ৫৪৭
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে গত বুধবার আকস্মিক বন্যা ও ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলের ঘটনায় নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৫৪৭ জনে পৌঁছেছে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) নেপাল পুলিশের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
অন্যদিকে, চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ হিসাবে নেপাল ও চীন মিলিয়ে দুর্যোগটিতে এখন পর্যন্ত মোট ৫৫২ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
প্রবল বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উদ্ধারকাজ চলতে থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় শত শত বিদেশিসহ ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর এটি নেপালের সবচেয়ে প্রাণঘাতী প্রাকৃতিক দুর্যোগ। মূলত হিমবাহ ধসে বিপুল পরিমাণ বরফ, পাথর ও কাদা পাহাড় বেয়ে নিচে নেমে আসার ফলেই এই ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে নেপাল থেকে ভারতে প্রবাহিত নদীগুলোতে ভেসে আসা অন্তত সাতটি মরদেহ উদ্ধার করেছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার এসব মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। তবে ভারতে উদ্ধার হওয়া সাতটি মরদেহ এখনো নেপাল ও চীনে মোট ৫৫২ জন নিহতের হিসাবের সঙ্গে যুক্ত করা হয়নি।
এরই মধ্যে নেপাল-চীন সীমান্তে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। হিমবাহ ধসের ফলে সৃষ্ট একটি হ্রদ থেকে আজ পানি উপচে পড়তে শুরু করেছে। এতে সীমান্তবর্তী এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নিরাপত্তার জন্য স্থানীয় অনেক বাসিন্দা পাহাড়ের উঁচু এলাকায় আশ্রয় নিচ্ছেন।
-স্বাধীন/ এমএ
নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে প্রাণহানি বেড়ে ৫৪৭

