নতুন পে স্কেলের আওতায় আসছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও
নবম জাতীয় পে স্কেলের আওতায় আসছেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও। সরকারি চাকরিজীবীদের মতো তারাও আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাবেন বলে জানিয়েছে সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সরকারের উচ্চপর্যায়ের ওই সূত্র।
সূত্র জানায়, এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা জাতীয় বেতন স্কেলের আওতাভুক্ত। তাই তাদের নবম পে স্কেলের বাইরে রাখার সুযোগ নেই। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য যেদিন থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর হবে, একই সময় থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও এর সুবিধা পাবেন।
তবে নতুন পে স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের মতো সব ধরনের ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা পাবেন না বলে জানিয়েছে সূত্র।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, এমপিওভুক্ত জনবলও নবম পে স্কেলের আওতায় থাকবেন। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য যেদিন থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর হবে, সেদিন থেকেই শিক্ষক-কর্মচারীরাও নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা পাবেন।
এর আগে সোমবার (৩১ আগস্ট) সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম পে স্কেলের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামোয় সর্বোচ্চ গ্রেড-১-এর বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা এবং সর্বনিম্ন গ্রেড-২০-এর বেতন ২০ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
সোমবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা ও বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার পর নতুন বেতন কাঠামোর প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন গ্রেডের বেতন পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, গ্রেড-১-এর সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা এবং গ্রেড-২০-এর সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় আসবেন। তবে ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে তাদের সঙ্গে সরকারি চাকরিজীবীদের কিছুটা পার্থক্য থাকবে।
-স্বাধীন/এমএ
নতুন পে স্কেলের আওতায় আসছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও

